মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেকোনো নেতিবাচক পরিস্থিতির বিপরীতে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করার প্রবণতা বজায় রেখেছেন। হোয়াইট হাউজে দেয়া এক বক্তব্যে তিনি এবং তার প্রেস সেক্রেটারি দাবি করেছেন যে, ইরানের পক্ষ থেকে আসা একটি আসন্ন হুমকি মোকাবেলায় এই যুদ্ধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ছিল। তাদের দাবি অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং দেশটি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার জোর দিয়ে বলছেন যে, এই ঝুঁকি এতটাই প্রবল ছিল যে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই বড় কোনো ঘটনা ঘটতে পারত—যদিও মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে তিনি এই সময়সীমা এক মাস বলে উল্লেখ করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট এবং হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে এই বার্তা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে যে, ইরান মূলত কূটনীতির পথ পরিহার করেছে। তারা মার্কিন জনগণকে এটি বোঝাতে চাইছেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে একটি দীর্ঘস্থায়ী সামরিক অভিযান পরিচালনা করা বর্তমানে একটি অনিবার্য এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
তবে মাঠ পর্যায়ের তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। আমেরিকায় এ যুদ্ধটি চরম অজনপ্রিয় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এক-তৃতীয়াংশেরও কম আমেরিকান নাগরিক প্রেসিডেন্টের এই সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন। জনমতের এই বিরোধিতা সত্ত্বেও প্রশাসন তাদের যুদ্ধংদেহী অবস্থানকে সঠিক প্রমাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।





