ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়ার হুংকার দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে মঙ্গলবার দেওয়া পোস্টে বলেছিলেন, ‘আজ রাতে একটি পুরো সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে।’
তবে শেষ পর্যন্ত সেই হুমকি বাস্তবে রূপ নেয়নি। এতে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কঠোর ভাষায় কথা বলার জন্য ট্রাম্প পরিচিত হলেও এবারের হুংকারটি ছিল অনেক বেশি ভয়াবহ ও আক্রমণাত্মক। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পিছু হটায় তার কথার গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অনেকের মতে, তার বক্তব্যে গণহত্যার হুমকির ইঙ্গিত ছিল। তিনি সেটি সত্যিই চেয়েছেন কি না, সেটি আলাদা বিষয়, তবে এমন বক্তব্য কোনো দেশের প্রেসিডেন্ট দিতে পারেন কি না, তা নিয়ে চলছে বিতর্ক।
এর আগেও ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুর মতো বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংসের হুমকি দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রাম্প। তখন আইনি প্রশ্নও ওঠে। তবে তিনি সেসব বিষয়কে গুরুত্ব দেননি। এতে বোঝা যায়, আইনি ও নৈতিক সীমা নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের সাবেক পরিচালক জো কেন্ট বলেন, ‘ট্রাম্প তার হুমকি বাস্তবায়ন করলে বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান বড় ধরনের ধাক্কা খেত। যুক্তরাষ্ট্রকে তখন আর স্থিতিশীলতা বজায় রাখার শক্তি হিসেবে দেখা হতো না। বরং বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এতে সুপারপাওয়ার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান শেষ হয়ে যেত।’
শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প সেই পথে হাঁটেননি।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।





