পবিত্র রমজানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের দাবিতে সমাবেশ: ৯৮ শতাংশ মুসলমানের দেশে দ্বীনী অধিকার রক্ষার আহ্বান
আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে দেশের সকল স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জোরালো দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইনসাফ কায়েমকারী মুসল্লী সমাজ। সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, কেবল রমজান নয় বরং পবিত্র আশুরা মিনাল মুহররম এবং পবিত্র শবে মিরাজ উপলক্ষেও রাষ্ট্রীয়ভাবে বাধ্যতামূলক ছুটি ঘোষণা করতে হবে এবং দ্বীন ইসলামের বিশেষ দিনগুলো সরকারিভাবে মর্যাদার সাথে পালনের ব্যবস্থা করতে হবে।
বক্তারা উল্লেখ করেন, মহান আল্লাহ পাক রমজান মাস দিয়েছেন মানুষের মধ্যে ‘তাকওয়া’ বা খোদাভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে নীতি-নৈতিকতা গঠনের জন্য। একজন শিশু হচ্ছে কাঁচা মাটির মতো; শৈশবেই তাকে দ্বীনি চর্চায় অভ্যস্ত করতে হবে। পবিত্র রমজানের সিয়াম সাধনা এবং তারাবীর নামাজ আদায়ের মাধ্যমে যে আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধি ঘটে, তা একজন শিক্ষার্থীকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। কিন্তু রমজান মাসে ক্লাস চালু থাকলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে ইবাদত করতে পারে না, তাদের রোজা রাখা ও তারাবীহ পড়া বাধাগ্রস্ত হয়। বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যে নৈতিক অবক্ষয় দেখা যাচ্ছে, তা দূর করতে রমজান মাসে নির্বিঘ্নে দ্বীনি আমল করার সুযোগ দেওয়া অপরিহার্য।
সমাবেশে বলা হয়, বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৯৮ শতাংশই মুসলিম। তাই রমজান মাসে দ্বীনী ইবাদতের জন্য ছুটি পাওয়া মুসলিম শিক্ষার্থীদের একটি সাংবিধানিক অধিকার। রাষ্ট্র এই অধিকার রক্ষা করতে আইনত বাধ্য। গত ২০২৫ সালে জনগণের দাবির মুখে এবং আদালতের হস্তক্ষেপে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হলেও ২০২৬ সালে পুনরায় রমজানে স্কুলে ক্লাস রাখা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং জনমতের পরিপন্থী।
বক্তাগণ বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, রমজানে কলেজ বন্ধ থাকলেও শিশুদের স্কুল কেন খোলা রাখা হয়েছে? অথচ শিশুদের জন্য দ্বীনি পরিবেশের গুরুত্ব আরও বেশি। তারা দাবি করেন, রমজানের প্রস্তুতির জন্য মূল মাস শুরু হওয়ার অন্তত ৭ দিন আগেই প্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ ঘোষণা করতে হবে।
বক্তারা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন:
• পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর পরিপন্থী কোনো আইন বা নীতিমালা ৯৮ শতাংশ মুসলমানের এই দেশে জারি করা যাবে না।
• অবিলম্বে রমজানে স্কুল-কলেজ বন্ধের প্রজ্ঞাপন জারি না করলে দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

সিংড়ায় সেচ কাজে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণ কৃষকের প্রাণহানি
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় কৃষি জমিতে পানি সেচের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সজল (২৪) নামে এক তরুণ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে




