কত কথা শুনেছেন। কত অপবাদ সহ্য করেছেন। কিছু সোশ্যাল মিডিয়া ও কিছু ইউটিউবার তাঁকে নিয়ে আগুন জ্বালেছে কিন্তু মানুষটা একটা কথাও বলেননি। জবাব দেননি মুখে, দিয়েছেন কাজে।
জুলাই অভ্যুত্থানে যখন এদেশের ছেলেমেয়েরা রাজপথ বুক পেতে দিয়েছিল, তখন তিনিই সেই মানুষ যিনি জনগণের পাশে দাঁড়ালেন। গুলি চালানোর নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করে প্রমাণ করলেন সেনাবাহিনী জনগণের শত্রু না, জনগণের ঢাল।
আজ যখন চারদিকে শঙ্কা ছিল নির্বাচন কি সুষ্ঠু হবে? সেনাবাহিনী কি নিরপেক্ষ থাকবে? তিনি প্রমাণ করলেন, উর্দি মানে ক্ষমতার লোভ না, উর্দি মানে দেশের প্রতি দায়।
একটা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিলেন এই জাতিকে। কোনো পক্ষপাত না, কোনো ইশারা না শুধু সংবিধান, শুধু গণতন্ত্র। (ধৈর্যের আরেক নাম জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান)। যারা তাঁর ভূমিকা নিয়ে বাজে মন্তব্য করে যাচ্ছিলেন, আজ তাঁরাই স্বীকার করবেন এই সেনাপ্রধান বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় লিখে গেলেন।
আর শুধু সেনাপ্রধান না সেই সাধারণ সেনা সদস্যটিকেও স্যালুট, যিনি রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, না খেয়ে, না ঘুমিয়ে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে দাঁড়িয়ে ছিলেন পাহারায়। যাঁর বুকের ব্যাজে লেখা ছিল শুধু একটাই কথা—দেশ আগে। তাঁদের ত্যাগ ছাড়া এই নির্বাচন সম্ভব হতো না।
সেনাপ্রধান থেকে শুরু করে শেষ সৈনিকটি পর্যন্ত আপনাদের সবাইকে জাতির পক্ষ থেকে স্যালুট।





