পবিত্র রমজান মাসে দেশের সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার দাবী জানিয়েছে ”চট্টগ্রাম মুসলিম সমাজ” আজ জুমাবার(শুক্রবার) বিকাল ৪ টায় ০২/০১/২০২৬ তারিখে ২নং গেট বিপ্লব উদ্যানের সম্মুখে এক সমাবেশে তারা এই দাবী জানান। 

1000027749

আলোচকগণ বলেন, মাসে রমজান মাসে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের রোজা রাখার সুযোগ দিতে হবে।

1000027748

আলোচকগণ বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র রজমান মাস দিয়েছেন তাকওয়া হাসিল করার জন্য। আর তাকওয়া হাসিলের মাধ্যমে একজন মানুষের মধ্যে নীতি-নৈতিকতা তৈরী হয়। পবিত্র রমজান মাসে পবিত্র সিয়াম পালন, তারাবির নামাজ আদায়সহ বিভিন্ন ইবাদত বন্দেগীর মাধ্যমে দ্বীনি চর্চা বৃদ্ধি পায়। এতে একটি শিশু দ্বীনি চর্চার মাধ্যমে পরিশুদ্ধ মানুষ হয়ে ওঠে।

1000027747

আলোচকগণ আরো বলেন, একজন শিশু হচ্ছে কাঁচা মাটির মত। শিশু বয়সে তার মধ্যে দ্বীনি চর্চার অভ্যাস তৈরী করতে হবে। সেক্ষেত্রে তাকে সকল ইবাদত বন্দেগী নির্বিঘ্নে পালন করার সুযোগ করে দিতে হবে। কিন্তু রজমানে ক্লাসের কারণে তারা সঠিকভাবে ইবাদত বন্দেগী করতে পারবে না। রোজা বাধাগ্রস্ত হবে, তারাবীর নামাজ পড়তে পারবে না। ফলে তার দ্বীনি চর্চা বাধাগ্রস্ত হবে। আলোচকগণ বলেন, বর্তমান তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নীতি নৈতিকতা যথেষ্ট অভাব দৃশ্যমান হচ্ছে। সে অভাব পূরণে রমজান মাসে দ্বীনি চর্চা করার সুযোগ করে দেয়া একান্ত জরুরী। 

1000027746

আলোচকগণ বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার শতকরা ৯৮% জনগণ হচ্ছেন মুসলমান। পবিত্র রমজান মাসে ছুটি পাওয়া মুসলিম শিক্ষার্থীদের সাংবিধানিক অধিকার। রাষ্ট্র অবশ্যই জনগণের অধিকার পূরণ করতে বাধ্য। আলোচকগণ আরো বলেন, বাংলাদেশের স্কুলগুলো হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান বা মজুসীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ছুটি দেয়া হয়। কাফির-মুশরিকদের দিবসে মুসলমান শিক্ষার্থীদের ছুটির কোন দরকার নেই। মুসলমানরা তো সেই সব দিবসে কোন পূজা করে না। আলোচকগণ বলেন, ইউরোপ-আমেরিকাসহ কোন কাফিরের দেশেই মুসলমানদের দিবসগুলোতে ছুটি দেয়া হয় না। বরং ক্লাস-পরীক্ষা চলমান থাকে। তাহলে তাদের দিবসে কেন মুসলমানদের ছুটি দিতে হবে ? তারা অবিলম্বে কাফিরদের দিবসে মুসলমানদের ছুটি দেয়া বন্ধ করার দাবী জানান।

1000027745

আলোচকগণ বলেন , গত সরকারের আমলে রমজান মাসে ছুটি না দেয়ার কারণে জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। যদ্বরুণ, গত ২০২৫ সালের রজমান মাসে স্কুলগুলো বন্ধ দেয়া হয়েছিলো। কিন্তু ২০২৬ সালে এসে আবার রোজায় ক্লাস দেয়া হলো, যা খুবই খারাপ বিষয়।

1000027745-1

আলোচকগণ বলেন, পবিত্র রমজানে কলেজ বন্ধ। কিন্তু শিশুদের স্কুল খোলা। অথচ শিশুদের জন্য বন্ধ দেয়া বেশি দরকার। তারা আরো বলেন, রমজান মাস শুরু হওয়ার ৭ দিন আগে থেকেই স্কুল বন্ধ দেয়া উচিত, কারণ পবিত্র রমজানের প্রস্তুতি আছে। 

  • ছবি সংগৃহীত