এলিট ফোর্স র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে আসছে। “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে র‍্যাব খুন, ডাকাতি, দস্যুতা, ধর্ষণ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত জোরালো অভিযান পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) আশ্রয়শিবির এলাকাগুলোতে মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-১৫ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদ ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৫, সিপিসি-২ (হোয়াইক্যং ক্যাম্প) এর একটি চৌকষ আভিযানিক দল আজ ২৭/০৬/২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ দুপুরআনুমানিক ১৩:১০ ঘটিকায় কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১২ এলাকায় একটি সফল অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযান পরিচালনা করে মাদক মামলার ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ১ জন পরোয়ানাভুক্ত রোহিঙ্গা আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি মোহাম্মদ আইয়ুব আলী (২৭) কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন পালংখালী ইউনিয়নের এফসিএন নং-২০০২৮৪, ব্লক-জে/০২, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১২ (বালুখালী) এর মোঃ শামসুল আলম ছেলে। 

গ্রেফতারকৃত আসামি মোহাম্মদ আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় ২০২৩ সালে একটি মাদক মামলা রুজু করা রয়েছে। উক্ত মামলায় বিজ্ঞ আদালত তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) ধারার ২৪(খ) উপধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ০৩ (তিন) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ০৩ (তিন) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই এই আসামি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলো।

গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি এবং যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে র‍্যাব-১৫ এর এই রূপ চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • মসজিদের ক্ষতিগ্রস্ত স্থান।