বর্তমান বিশ্বে ইংরেজি ভাষা কেবল একটি বিষয় ভিত্তিক দক্ষতা নয় ; এটি এখন আত্মপ্রকাশ, শিক্ষা, পেশাগত উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষ এখনো ইংরেজিকে ভয়, সংকোচ কিংবা জটিলতার একটি জায়গা হিসেবে দেখেন। অনেকে মনে করেন, ইংরেজিতে দক্ষ হওয়া শুধু মেধাবী শিক্ষার্থীদের পক্ষেই সম্ভব। সেই ধারণাকে বদলে দিয়ে সহজ, ব্যবহারিক ও আত্মবিশ্বাসভিত্তিক শিক্ষার একটি পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০২২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে “ইংলিশ ফ্যান্টাসি”।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা আসাদুল ইসলাম রাজন।
দীর্ঘদিন ধরে ইংরেজি শেখানোর অভিজ্ঞতা এবং সহজ পদ্ধতিতে ভাষা শেখানোর চিন্তা থেকেই তিনি এই প্লাটফর্মটি গড়ে তোলেন। তবে এর পেছনের ভাবনা ও গবেষণার কাজ শুরু হয়েছিল আরও আগে। প্রতিষ্ঠাতার ভাষ্যমতে, “সবচেয়ে দুর্বল শিক্ষার্থীকে উঠিয়ে এনে ইংরেজিতে দক্ষ করে তোলা এবং আইইএলটিএস-এ 7 বা 7.5 পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্য থেকেই এই উদ্যোগের জন্ম”।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি Basic+Spoken English এবং IELTS কোর্স পরিচালনা করছে। তাদের শিক্ষা কার্যক্রমের মূল দর্শন হলো— শুধু মুখস্থ নির্ভর শিক্ষা নয়, বরং বাস্তব জীবনে ইংরেজি ব্যবহারে আত্মবিশ্বাস তৈরি করা। ইংলিশ ফ্যান্টাসির অন্যতম বিশেষ দিক হলো এর চর্চাভিত্তিক শিক্ষা পরিবেশ। প্রতিষ্ঠানটি নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি চর্চার একটি আলাদা আবহ তৈরি করে বিভিন্ন আউটডোর সেশনের মাধ্যমে। বিশেষ করে তাদের রেসিডেন্সিয়াল কেয়ার প্রোগ্রাম-এ ভাষা শিক্ষার একটি পূর্ণাঙ্গ পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হয়। এই কার্যক্রমের আওতায় আবাসন, নিয়মিত অনুশীলন, মেন্টরশিপ এবং ইংলিশ এনভায়রনমেন্টে শিক্ষার্থীদেরকে দীর্ঘ সময় অনুশীলন করানো হয়।
এই প্রতিষ্ঠানটির সেবা শুধু তরুণদের জন্য সীমাবদ্ধ নয় ; বরং যেকোনো শ্রেণীর মানুষ এখানে ইংরেজি শেখার সুযোগ পাচ্ছেন (শুধু অক্ষর জ্ঞান থাকতে হবে)। কেউ পেশাগত প্রয়োজন থেকে, কেউ বিদেশে উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে, আবার কেউ আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি দূর করার উদ্দেশ্যে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। ইংরেজি শিক্ষাকে আরো সহজ ও গুছিয়ে উপস্থাপন করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি কম্বোসেট বই প্রদান করছে। প্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হয়েও তাদের কাছ থেকে বই সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশে বর্তমানে ইংরেজি শেখা কেবল একটি অ্যাকাডেমিক প্রয়োজন নয়; এটি এখন আত্মবিশ্বাস ও সম্ভাবনার নতুন দরজা খুলে দেওয়ার একটি মাধ্যম। এই বাস্তবতায় ইংলিশ ফ্যান্টাসির মত প্রতিষ্ঠান মানুষের মধ্যে ভাষাভীতি কাটিয়ে শেখার আগ্রহ তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই একা কাউকে দক্ষ করে তুলতে পারেনা; প্রয়োজন- শেখার আগ্রহ, ব্যক্তিগত চর্চা, ধৈর্য এবং নিয়মিত অনুশীলন। ইংলিশ ফ্যান্টাসি সেই চর্চাকেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাকেই গুরুত্ব দিচ্ছে, যেখানে শেখার মূলশক্তি হয়ে ওঠে আত্মবিশ্বাস এবং ধারাবাহিক অনুশীলন।
- মসজিদের ক্ষতিগ্রস্ত স্থান।