ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ১২ নং হরিপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য সুজন পাঠান নিজস্ব অর্থায়নে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করে এলাকায় প্রশংসিত হয়েছেন। রাস্তা উন্নয়ন, গভীর নলকূপ স্থাপন, সিসি ক্যামেরা ও ওয়াই-ফাই সংযোগ স্থাপনের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি একজন জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

সুজন পাঠান রাজনৈতিকভাবে সুপরিচিত পরিবারের সন্তান। তার বাবা জামাল পাঠান হরিপুর ইউনিয়নের দুইবারের জনপ্রিয় ইউপি সদস্য ছিলেন। বাবার দেখানো পথ অনুসরণ করে সুজন পাঠানও সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

নিজস্ব অর্থায়নে সম্পন্ন রাস্তা উন্নয়ন কাজ

সুজন পাঠান তার ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয়ে ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়ন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—

হরিপুর পাঠানবাড়ি ব্রিজ থেকে আশিক মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত।

বিল্লাল পাঠানের বাড়ি থেকে জালাল পাঠানের বাড়ি পর্যন্ত।

পাঠানবাড়ি মসজিদ থেকে আলী আকবর মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত।

কাবলি বাড়ির মসজিদ থেকে সিদ্দিক পাঠানের বাড়ি পর্যন্ত।

কোনাবাড়ি ব্রিজ থেকে সৈয়দ মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত।

আলমগীরের মেইল থেকে সৈয়দ বাড়ি পর্যন্ত।

সৈয়দ বাড়ির মোড় থেকে জুবায়ের আনসারীদের মসজিদ পর্যন্ত।

কাওয়ালীর বাড়ি থেকে জারুয়া মসজিদ পর্যন্ত।

জারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে খরসু মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত।

জারুয়া মসজিদ থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত।

মুস্তাফিজের বাড়ি থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত।

কোনাবাড়ি ব্রিজ থেকে চানু মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত।

অন্যান্য উন্নয়নমূলক কাজ

জারুয়া, শংকরাদহ, আলিয়ারা ও হরিপুর এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন।

শংকরাদহ এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন।

হরিপুর পাঠানবাড়ি, জারুয়া ও শংকরাদহ এলাকায় ওয়াই-ফাই সংযোগ স্থাপন।

পর্যায়ক্রমে হরিণবেড়, নরহা ও রুস্তমপুর এলাকায় উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয়ে এভাবে জনকল্যাণমূলক কাজ করা বর্তমান সময়ে খুবই বিরল। সুজন পাঠানের সততা, জনসম্পৃক্ততা ও উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট হয়ে হরিপুর ইউনিয়নের একটি বড় অংশ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান।

এলাকাবাসীর বিশ্বাস, জনগণের সমর্থন পেলে সুজন পাঠান পুরো ইউনিয়নের উন্নয়নে আরও বড় পরিসরে কাজ করে হরিপুরকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে সক্ষম হবেন।

  • মসজিদের ক্ষতিগ্রস্ত স্থান।