নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি, নিরাপত্তা, সহাবস্থান ও দুর্নীতিমুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট আজ ১২ ডিসেম্বর সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের শাক গ্রাম, মারমা গ্রাম, বাজার, স্কুল ও জনতার মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং শাক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুখপাত্র পাইশিখই মারমা, মং থোয়াই ওয়াং মারমা, উক্য সিং মারমা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পাইমং থুই মারমা প্রেম, চট্টগ্রাম মহানগরের সংগঠক অং সি হ্লা মারমা এবং স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতারা।

লিফলেটে পার্বত্য অঞ্চলের নাগরিকদের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা, ভূমি সমস্যার ন্যায়সংগত সমাধান, চাঁদাবাজি–সহিংসতা বন্ধ, বৈষম্যহীন সহাবস্থান ও সকল জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করার দাবিসহ দীর্ঘমেয়াদি শান্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করা হয়।

ইঞ্জি. থোয়াই চিং মং শাক বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের মূল্যবোধে একত্রিত হতে হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে বিভেদ, সহিংসতা ও উসকানিমূলক রাজনীতি থেকে দূরে রেখে উন্নয়ন–নিরাপত্তার পথে এগিয়ে যেতে হবে।”

তিনি আরও জানান, আগামী এক মাস ধরে বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি—এই তিন জেলায় ধারাবাহিক লিফলেট বিতরণ ক্যাম্পেইন চালানো হবে।

দিনব্যাপী লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। অনেকেই এই উদ্যোগকে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বরণ করে নেন।

“পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের মূল্যবোধে একত্রিত হতে হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজকে বিভেদ, সহিংসতা ও উসকানিমূলক রাজনীতি থেকে দূরে রেখে উন্নয়ন–নিরাপত্তার পথে এগিয়ে যেতে হবে।”

  • ছবি সংগৃহীত